বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০১৪

নিয়ে নিন বাছাই করা ঈদ স্পেশাল বাংলা ম্যাসেজ ২০১৪।

আসসালামু আলাইকুম।আশা করি সবাই ভালো আছেন।আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকী তার পরেই  প্রবিত্র ঈদ উল আযহা্‌ । আর এই দিন টাতে কাছের প্রিয় মানুষ গুলোকে ঈদের মেসেজ দিতে মনে হয় কারো ভূল হয় না।তবে ঈদ আসার আগে আমাদের মনে একটা চিন্তা থাকে যে প্রিয় মানুষ গুলোকে কি স্পেশাল মেসেজ দেয়া যায় যা সবার থেকে আলাদা।কিন্তু অনেক সময় ভালো কোন  এসএমএস খুজে পাওয়া যায় না।আর তাই আপনাদের চিন্তা দূর করতে হাজির হয়েছি স্পেসাল সব ঈদ মেসেজ নিয়ে।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।


১। শুভ রজনী, শুভ দিন,
রাত পেরোলেই ঈদের দিন।
উপভোগ করবে সারাদিন,
ঈদ পাবে না প্রতিদিন।
দাওয়াত রইলো ঈদের দিন।
“ঈদ মোবারক”


২। মেঘলা আকাশ মেঘলা দিন ঈদের
বাকি ১দিন,কাপড় চোপড়
কিনে নিন,গরিব দুঃখীর খবর নিন,
দাওয়াত রইল ঈদের দিন।
“ঈদ মোবারক”

৩। আজকে খুশির বাঁধ ভেঙেছে,
ঈদ এসেছে ভাই ঈদ এসেছে
শাওআলের চাঁদ ওই উকি দিয়েছে,
সবার ঘরে আজ ঈদ এসেছে
সেই দিন আর নয় বেশি দূর,
রমযান শেষ হলে
কাটবে অপেখখার ঘোর।
ঈদ মোবারক


৪। যে দিন দেখবো ঈদ এর চাঁদ
খুশি মনে কাটাবো রাত
নতুন সাজে সাজব সেদিন
সেদিন হলো ঈদের দিন
আনোন্দে কাটাবো সারা দিন!
ঈদ মোবারক


৫। ফুল সুভাষ দেয়, দৃষ্টি মন চুরি করে,
খুশি আমাদের হাসায়, দুঃখ আমাদের
কাদায়, আর আমার এই এস এম এস
তোমাকে ঈদের সুভেছ্ছা জানায়,
"EID মোবারক"


৬। নতুন পোশাক পরে নিও, বেশি করে ঈদি নিও।
সেমাই খেও পেট ভরে ঘুরো ফের মন ভরে।
ঈদ মোবারাক বলো প্রান খুলে।


৭। আনন্দের এই সময় গুলো,
কাটুক থেমে থেমে,
বছর জুড়ে তোমার তরে,
ঈদ আসুক নেমে,
“ঈদ মোবারক”


৮। ভোর হলো দোর খোল, চোখ মেলে দেখরে।
রোযা শেষ রোযা শেষ, ঈদ চলে এল রে।
নতুন জামা পড়ব রে, হাসি খুসি থাকব রে . ঈদ চলে এল সবার দুয়ারে।
শুভেচ্ছা রয়লো সবাইকে . ঈদ মোবারক ।


৯। চাঁদ উঠেছে ফুল ফুটেছে
দেখবি কে কে আয়,
নতুন চাঁদের আলো এসে
পড়ল সবার গায় ।
ঈদ মোবারাক


১০। 'হাসি খুশি রাশি রাশি
আজ দুখ নিয়েছে বিদায়
সব বেতা ভুলে গিয়ে
বুকেতে বুক মিলাউ
আজ আনন্দ প্রতি প্রাণে প্রাণে'


১১। ঈদের দাওয়াত তোমার তরে,
আসবে তুমি আমার ঘরে।
কবুল করো আমার দাওয়াত,
না করলে পাবো আঘাত।
তখন কিন্তু দেবো আড়ি,
যাবো না আর তোমার বাড়ি।
ঈদ মোবারক সবাই কে।

১২। EID mane Khusi, Eid mane Aanondo,
EID aase vulia dita sokol Bivad Dondo
EID mane vule jawa joto Dukkho Voi
EIDer motoi tmr Jibonta houq Diptimoy.
         ….EID MUBARAK….


১৩।Eccha golo Akas cholo, Vaslo meger Sari,
Khusir jhora tepantore hridoy dilo Pari,
Moner maje sater baje khusita mon Saje,
EID er din hok Rongin ai kamonate.
EiD MubaraK


১৪।Kichu kotha obekto roye jay,
Kichu onuvuti moner maje theke jay,
Kichu srithi gopone kaday,
Sudhu ai ak ti din sob vulie day...
>>>EID MUBARAK<<<


১৫।Eider Shuveccha janai tomake..
Onek beshi khushi gire rakhuk tomake..
Sob aponjoner maya matie rakhuk tomake..
But jokhon EIDI milbe please sudu soron korio amake..


১৬।Kihu kotha na bola theke jay
Kichu vasha bornonahin hoy
Tobe Eider din sob pran khule bola jay
Aso pran khule aj sob boli.
Eid Mubarak Bondhu...


১৭।Sukhe dukhe chilam bondhu ami sudhu tomar,
Dine rate kolponate chile 2mi amar.
Eider dineo robe tumi amr hridoy jure,
Voalobasa diogo more aro apon kore.
Eid Mubarak Jan.


১৮। Baka cader hasite,
Dawat dilam asite,
asbe kintu barite,
boste debo pirite,
khete debo plate a,
aste jodi nai paro,
EID MUBARK grohon koro


১৯।We Wish That This Eid Bring Smiles, Joys, Happiness & Prosperity To All Of Us.
May The Sun Of This Eid Lighten Our Country With Unity And Peace.
May Allah Show Us True Spirit Of Qurbani Float From Rich To Poor.


২০।Lonesome without u,
Each n every moments.
When i am alone
I close my eyes n think of u
N thoughts of ur love warms
Me inside n makes me smile.
miss you a lot. eid mubarak.


 ২১।Happy EID-Mubarak to all of you
A Wonderful One..!!
To Help Make Your Eid
Friendship And Fun
Light Hearted Moments Of
Bright, Happy Things
Warm,Happy Hours And
That This Eid Day Brings


২২।  This Eid may God bring a lot of peace,
prosperity and happiness to my
Muslim brothers and sisters.



২৩।  May allah honour you,
Forgive you,
Purify you,
Accept ur all ibadat and dua.
Elevate you,
Inspire you and
Envelope you with his noor,
Mercy and protect you.
Wish you a Happy Eid.


২৪।  Network busy number busy
No signal message not sent...
That’s what we’ll see on !St day of ”Eid”
So “Happy Eid Day” before the rush start.


২৫।  When my arms can’t reach people close to my heart.
I always hug them with my prayers.
May allah’s peace be with you.
A very happy eid mubarak 2 U.


২৬। Wishing you all a very happy eid,
And hoping that all the things you wish
For will be yours throughout the year..
Eid Mubarak!!


২৭। Remembering u on Eid day is a nice thing to do
Bcoz u r warmly thought of everyday the whole year through
“Happy Eid Mubarak”
২৮। Here comes the day,once in a blue moon.
With chanda mama shinin up bright
And blessing everyone.. Her luv so tender, merciful.
Shinin down on the earth wishing us
“Happy eid”.”Eid Mubarak”


২৯। You are someone who deserves the best. So in this sms today is wished that your EID will be the best in every way. May all the beauty, contentment and cheer of EID be yours, And may it bring wonderful times to brighten your world.
EID MUBARAK


৩০। With all the roses perfume
And with all the lights in the world,
And with all the childrenTs smiles
I wish you a very happy eid!

৩১। I wish a wish for u.
the wish i wish for few.
the wish i wish for u is that your all wishes come true
so keep on wishing as my all wishes are with you.
Eid Mubarak


৩২।
The moon been sight,its time to celebrate,
the end of the fasting in a special way.
To friends & family a very happy Eid Mubarak!!


৩৩। Look Outside...
It's so pleasant!
Sun Smiling For you...
Trees Dancing for you...
Birds singing for you...
Because I requested them All to wish You
Eid Mubarak


৩৪। Before the Golden Sun Rise,
let me decorate each of the Rays with Wishes of Success, prosperous and Happiness for you and for your family.
Happy Eid

৩৫। Earth can forget rotating,
 Bird can forget flying,
Candle can forget melting,
 Heart can forget beating
but I’ll never forget to wish U “Happy Eid"

৩৬। May on this EID the Plate of your life is filled with juicy Kababs
& Tikkas topped with Chatni of Happiness and covered with Salad of Love.

৩৭। No shadows to depress u,
 Only joys to surround u,
ALLAH himself to bless u,
these r my wishes for u,
Today, tomorrow, and every day.
 Eid Mubarak

৩৮। I wish you ALL a very happy and peaceful Eid.
 May Allah accept your good deeds,
 forgive your transgressions and ease the suffering of all peoples around the globe.
Eid Mubarak

৩৯। May the noor of this month illuminate ur heart, mind and soul n may all ur duas be answered. Remember me in your prayers. EID MUBARAK
18. With all the love an sms can hold, and happy wishes too..
This comes to say! May the Eid day be wonderful for you
19. My Blessing, Congratulations and Good wishes.
I wish you the best of everything for not only in EID
but also all the years ahead.
*EID MUBARAK*

৪০। Some words can be left unsaid,
Some feeling can be left unexpressed,
But person like u can never be forgotten on this day
****EID MUBARAK*****
৪১। May every minute 0f your “EID”
Be happy warm n bright..
May all your hopes n dreams
Turn 0ut exactly right
Happiness at EID is wished for You !!
E I D M U B A R A K

৪২। May this year Eid gives,
You all the happiness and,
Joy of this world and,
Hope that the blessing,
Of the AL-Mighty be with u,
****Eid Mubarik****


৪৩। I wish a wish for u.
The wish i wish for few.
The wish i wish for u is that
your all wishes come true
so keep on wishing
as my all wishes are with you.
Eid Mubarak


৪৪। You are awarded a bouqet of good deeds,
a vase of blessing,
a parachut of glad itdings
4 completing da holy ramadan.
EID MUBARAK


আজ এ পর্যন্তই ।সবাই ভালো থাকবেন।আর সবাইকে ঈদের অগ্রীম শুভেচ্ছা... ঈদ মোবারক


এসএমএস গুলো ভালো লাগলে কমেন্ট করতে ভুলবেন না যেন।

মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

বাংলায় তৈরি অন্যতম ১০টি ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস!!!

দেশে স্মার্টফোনের ব্যবহার বাড়ছে। সঙ্গে বাড়ছে অ্যাপসের ব্যবহার। বাংলা ভাষায়ও এখন অনেক অ্যাপস পাওয়া যায়। বিনা মূল্যের জনপ্রিয় ১০ বাংলা অ্যাপস সম্পর্কে জানুন এই পোস্টে।

বাংলা ব্লগসঃ

বাংলা ব্লগ এখন বেশ জনপ্রিয়। ব্লগ থেকে অনেক সমাজসেবামূলক কাজ করা যায় যার কারণে এখন সবাই ব্লগমুখী। বাংলা ব্লগিংকে আরো গতিময় করতে এই বাংলা ব্লগস অ্যাপসটি অনেক কাজে দিবে। অ্যান্ড্রয়েড এই অ্যাপস দিয়ে পোস্ট লিখে তা  ড্রাফট বা পাবলিশ করা যাবে। আগে পাবলিশ করা পোস্ট এডিটও করা যাবে। শুধু তাই নয়, পাবলিশ করা সকল পোস্ট এবং ড্রাফট করা সকল পোস্টের লিস্ট দেখা যাবে এই অ্যাপস দিয়ে। একাধিক ব্লগ একাউন্ট থাকলে সুইচ করা যাবে সহজেই। গ্যালারি থেকে ইমেজ যুক্ত করা যাবে ব্লগে অথবা সরাসরি অ্যাপস দিয়ে তোলা ছবিও ব্লগে যুক্ত করা যাবে। পোস্টে লেভেল যুক্ত করা যাবে। এছাড়া লোকেশনের তথ্যও যুক্ত করা যাবে। যেখানেই থাকুন না কেন, যে কোন সময়ই হোক না কেন ব্লগ পোস্ট করা যাবে অনায়াসেই। ফ্রি এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটির সাইজ মাত্র ২৮০ কিলোবাইট। ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/KnV2no

বাংলাদেশ কৃষি তথ্যঃ


কৃষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি। পুরো অ্যাপসটি বাংলায় করা হয়েছে। তাই মোবাইলে বাংলা ফন্ট থাকা জরুরি। দেশি ব্র্যান্ড যেমন ওয়াল্টন, সিম্ফোনিতে ডিফল্টভাবেই বাংলা ফন্ট ইন্সটল করা থাকে। অন্যান্য স্মার্টফোনগুলোতে বাংলা ফন্ট ইন্সটল করে নিতে হবে। এই কৃষি তথ্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি চালাতে ইন্টারনেট কানেকশন লাগবে। এখানে তথ্যগুলো ছবি সহ অনেক বিস্তারিত রয়েছে। হোম, সংবাদ, প্রিন্ট মিডিয়া , ই মিডিয়া, আইসিটি, ই-কৃষি, জানতে চাই এমন আলাদা আলাদা বাটন রয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে। সম্পূর্ণ সবুজাভ এই অ্যাপসটি শুধুমাত্র কৃষকদেরই নয় অনেক শিক্ষার্থীদেরও কাজে আসবে। মাত্র ১.৩ মেগাবাইট সাইজের এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/KZx5lH

বাংলা ডিকশনারি অফলাইনঃ


স্মার্টফোনে বাংলা ডিকশনারি না রাখলে কি আর সেটা স্মার্টফোন হয় নাকি। এখন প্লেস্টোরে অনেকগুলো ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস পাওয়া যায়। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো এই বাংলা ডিকশনারি অফলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি। এই অ্যাপসে অনলাইন এবং অফলাইন দুই মুডেই ব্যবহার করা যায়। সমার্থক শব্দ, শব্দের অর্থের উচ্চারণ সহ বেশ কিছু চমৎকার ফিচার রয়েছে। ইন্টারফেস দেখেও মুগ্ধ হবে ব্যবহারকারীরা। ইন্টারনেট কানেকশন যদি না থাকে তাহলে অটো অফলাইন মুডে চলে যাবে এবং শব্দের ফলাফল খুজে বের করে দিবে। ট্যাবলেট এবং ফ্যাবলেটেও এই অ্যাপস ব্যবহার করা যাবে অনায়াসেই। কোন বাংলা ফন্ট ইন্সটল না থাকলেও এই অ্যাপসের বাংলা শব্দগুলো পড়া যাবে সমস্যা ছাড়াই। প্রতিনিয়ত আপডেট হওয়া এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসের সাইজ মাত্র ৩ মেগাবাইট। ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/82llBg

বাংলাদেশ কন্টসটিটিউশন বাংলাঃ


বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সবারই উচিত বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে ধারণা রাখা। বাংলাদেশ কন্টসটিটিউশন বাংলা নামের এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে বাংলাতে বাংলাদেশের সংবিধান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। নাগরিকদের অধিকার, ব্যাসিক সাংবিধানিক নিয়ম কানুন সহ অনেক তথ্যবহুল এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি। অনেকগুলো ভাগে বিভক্ত  করা হয়েছে তথ্যগুলো। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, প্রস্তাবনা, প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার, নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েডের সকল তথ্য। প্রতিটি ভাগের আবার সাববিভাগ রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সংবিধান জানার জন্য এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস সাধারণ নাগরিকের জন্য যথেষ্ট। ১ মেগাবাইটের এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/k9AXQa

বাংলাদেশ ব্লাড ব্যাংকঃ


অনেক জরুরী সময়ই রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। সঠিক সময়ে রক্ত যোগাড় করতে না পারলে অনেক বড় রকমের সমস্যা হতে পারে। সব সময় বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে ব্লাড ব্যাংক সম্পর্কে খোজ নেয়াও সম্ভব নাও হতে পারে। আর তখনি এই অনলাইন নির্ভর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস বাংলাদেশ ব্লাড ব্যাংক অনেক কাজে দিবে। এটা এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে ডোনার, গ্রহিতা বা রোগী রক্ত নিয়ে এক সাথে আলোচনা করতে পারে। ব্লাড ডোনাররা বিভিন্ন কারণে রক্ত দান করে থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত সংগ্রহের জন্য অসাধারণ একটি পোর্টাল হতে পারে এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস। এখানে ডোনারের ঠিকানা সহ অনেক তথ্যই বিস্তারিত দেখা যায়। মাত্র ২৮০ কেবির এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/7JTEh9

বাংলা জিপিএস/বাংলা ম্যাপঃ


গুগল ম্যাপ সবার জন্যই অনেক কাজে লাগে। আর সেই ম্যাপটি যদি হয় বাংলায় তাহলেতো সোনায় সোহাগা। বাংলা জিপিএস/বাংলা ম্যাপ এমনই একটি কাজে ম্যাপ যা দিয়ে সাড়া বাংলাদেশের যেখানেই থাকুন না কেন, আপনার গন্তব্য খুজে বের করতে পারবেন। এই জন্য লাগবে একটি স্মার্টফোন, জিপিএস এনাবল হ্যান্ডসেট এবং ইন্টারনেট। আপনার গন্তব্যস্থলের নাম লিখে সার্চ দিন তাহলে নিমিষেই পেয়ে যাবেন যাওয়ার রাস্তা। অর্থাৎ গুগল ম্যাপের প্রায় সকল সুবিধাই এই বাংলা জিপিএস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে পাওয়া যাবে পুরোপুরি বাংলায়। শুধু গাড়ির রাস্তাই নয় সাথে সাথে হাটার রাস্তাও পাওয়া যাবে এই ম্যাপে। পুরোপুরি ইন্টারনেট নির্ভর এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটির সাইজ মাত্র ১ মেগাবাইট। ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/ZG21uc

বাংলা জাতিয় ই-তথ্যকোষঃ


অনলাইনে এখন বাংলায় অনেক তথ্যই পাওয়া যায়। দিন দিন এই তথ্য আরো বহুগুনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনলাইনের এমনই এক তথ্যভান্ডার হচ্ছে এই বাংলা জাতিয় ই-তথ্যকোষ। এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে ডেস্কটপ ও মোবাইল উভয় ভার্শনই রয়েছে। প্রয়োজনমত যে কোন ভার্শন পছন্দ করা যাবে। পুরোপুরি ইন্টারনেট নির্ভর এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে অনেকগুলো বিষয় বিভক্ত করা হয়েছে। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, আইন ও মানবাধিকার, নাগরিক সেবা, পর্যটন, অকৃষি উদ্যেগ, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞান এবং তথ্য ও প্রযুক্তি, শিল্প ও বাণিজ্য, শ্রম ও কর্মসংস্থান সহ সকল বিভাগে ছবি সহ বিস্তারিত তথ্য রয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে। ইচ্ছে করলে রেজিট্রেশন করে এই তথ্য ভান্ডারে যে কেউ  তথ্য যুক্ত করতে পারে। ডেস্কটপ ভার্শনে মোবাইল দিয়েই হুবুহু ডেস্কটপ সাইটের মত দেখা যাবে। ১ মেগাবাইট সাইজের এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/QN64ku

জি স্লেট বাংলাঃ


ছোটবেলায় সবারই হাতে খড়ি হয়েছে চক-স্লেট দিয়ে। এখন এই অত্যাধুনিক সময়ে চক-স্লেটের ব্যবহার অনেক কমে গিয়েছে। এখন বাচ্চারা স্মার্টফোন, কম্পিউটার দিয়ে শিখতে বেশি পছন্দ করে। জি স্লেট নামের এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডিজিটাল চক-স্লেটের কাজ করবে। এটা দিয়ে খুব সহজেই বাচ্চারা অক্ষরজ্ঞান সম্পর্কে ধারণালাভ করতে পারবে। পুরো ইন্টারফেসটি অনেকটা বাস্তব চক-স্লেটের মত করা হয়েছে। পড়া ও লিখার দুটি অপশনই রয়েছে এই অ্যাপসে। অক্ষর এবং নাম্বারগুলো ট্রেস করার জন্য ডিফিকাল্টি লেভেল বাড়িয়ে দিতে পারেন। ফলে বাচ্চাটি আরো বেশি চ্যালেঞ্জ অনুভব করবে এবং মজা পাবে। ট্রেস করা ছাড়াও রয়েছে সাউন্ড এবং ছবি সহ শব্দগাইড। বাচ্চারা অনেক মজা পেয়ে যেন এই অ্যাপসটি দিয়ে অক্ষরজ্ঞান লাভ করতে পারে সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। ১০ মেগাবাইট সাইজের এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/8Os0uf

কবিতা সমগ্র-বাংলাঃ


কবিতা অনেকেই পছন্দ করেন। সব সময় কবিতার বই সাথে রাখা বা প্রয়োজনের সময় কবিতা নাও পাওয়া যেতে পারে। তখন এই অ্যান্ড্রয়েড কবিতা সমগ্র-বাংলা অ্যাপসটি অনেক কাজে দিবে। এখানে অনেকজন কবির বিখ্যাত কবিতাগুলো সুন্দরভাবে ছবিসহ সাজানো রয়েছে। পুরো বাংলা এই অ্যাপসটির জন্য ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন নেই। বাংলা অক্ষরের ক্রমানুসারে এখানে কবিদের সাজানো রয়েছে। যাদের কবিতাগুলো এখানে রয়েছে তাদের নাম হলোঃ অমিয় চক্রবর্তী, অ্যালেন গিন্সবার্গ, আনা আখমাটোভা, আন্দ্রেই ভজনেসেনস্কি,আল মাহমুদ, আহসান হাবীব, কাজী নজরুল ইসলাম, কায়কোবাদ, জসীমউদ্দীন, জীবনানন্দ দাশ, ফররুখ আহমদ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অনেকের কবিতাই রয়েছে। প্রতি কবির অনেকগুলো কবিতা রয়েছে এই অ্যাপসে। এছাড়া হামদ ও নাথও রয়েছে। ২ মেগাবাইটের এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/avio4j

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশঃ


সম্প্রতি চালু হওয়া ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। সামনে চট্রগ্রাম ভার্শনও আসবে এমনটাই জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটির মাধ্যমে ঢাকার সকল থানার ওসি এবং ডিউটি অফিসারের নম্বরসহ পাওয়া যাবে প্রতিটি থানার ঠিকানা এবং ম্যাপ। এই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে ঢাকার যে কোন স্থান থেকে আপনি আপনার সবচেয়ে কাছের থানাটি সহজেই খুঁজে বের করতে পারবেন; সেই সাথে গুগল ম্যাপে আপনাকে সেই থানায় যাওয়ার পথও দেখিয়ে দেবে। শুধু তাই নয় জরুরী প্রয়োজনে ডিএমপির ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত সংগ্রহ এবং এ সম্পর্কিতে অন্যান্য তথ্য জানার জন্যে এতে সংযোজন করা হয়েছে একটা ‘ব্লাড বাটন’। ডিএমপির নারী-সহায়তা বিভাগের বিভিন্ন সেবা পাওয়ার জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন ‘নারী বাটন’টি। এছাড়াও ডিএমপি-ম্যাপ থেকে খুব সহজেই আপনি যে কোন থানার অবস্থান ছবি তুলে পাঠাতে পারবেন আপনার কোন বন্ধু বা নিকটজনকে। এই চমৎকার কাজের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটির বাংলা এবং ইংরেজি দুটিই ভার্শন রয়েছে। ম্যাপ দেখার জন্য ইন্টারনেটের প্রয়োজন হবে। আরো অনেক অনেক কাজের অপশন রয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসে। মাত্র ১ মেগাবাইটের এই ফ্রি অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপসটি ডাউনলোড করা যাবে এই ঠিকানায় http://goo.gl/yq21j2
 

হ্যাকিং!!! হ্যাকিং!!! হ্যাকিং!!! শিখুন খুব সহজেই!!!

হ্যাকিং এর উপর সবা্রই কম বেশী ঝোক আছে । কিন্তু হ্যাকিং বললেই তো আর হ্যাকিং হয়ে যায় না । অনেক কাঠ খড় পোড়ানোর বিষয় আছে এর পেছনে । একজন রিয়েল হ্যাকার হতে হলে আপনাকে যেমন সময় ব্যায় করতে হবে , তেমন সমান তালে মেধাও ব্যায় করতে হবে । টিটিতে হ্যাকিং এর উপর অনেক টিউন ই আছে । সেগুলো অনেক উপকারীও বটে । কিন্তু হ্যাকিং এর প্রাথমিক বা শুরুর বিষয়গুলো খুব কম স্থানেই বলা আছে । সেখানে শুধু কয়েকটা টিপস শেখানো হয় । কিন্তু রিয়েল হ্যাকার হতে হলে আপনাকে অনেক আগে থেকে শুরু করতে হবে ।আজ সেই বিষয়েই কয়েকটি ধাপ নিয়ে আমি আলোচনা করব । আসলে বাংলাদেশে অনেক ভাল ভাল হ্যাকাররা আছেন । তাদের প্রতি আমার সালাম রইল ।  আমার লেখায় কোন ভুল হলে সেটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ও ভুলটা শুধরে দিবেন দয়া করে ।
আসলে কীলগার , বা বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে হ্যাকিংও এক ধরনের হ্যাকিং , তবে সেগুলো সব ক্ষেত্রে সমান ভাবে কার্যকরী নয় । এজন্য , রিয়েল হ্যাকিং শিখতে গেলে আপনাকে নেটওয়ার্ক , প্রোগ্রামিং , ওয়েব হোষ্টিং , রিমোট একসেস , আইপি নেটওয়ার্কিং ও আরও অনেক বিষয়ে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে যদিও আমি নিজেও বিষয়গুলো মোটেও বুঝি না । তবুও যেটুকু বুঝি সেটুকু আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি ।তবে এটাকে কখনও হ্যাকিং টেকনিক ভেবে ভুল করবেন না । কারণ , এটা জাষ্ট আপনার হ্যাকিং এর জন্য একটা থিম বা বেসিক । এর মধ্যে আপনি সব ধাপগুলো জানতে পারবেন । কিছু কিছু কাজ নিজেও করতে পারবেন । তবে অনেক কিছুই এখান থেকে বুঝে আপনাকে গুগলে সার্চ দিয়ে বের করে জানতে হবে সেগুলোর ইউজ সম্পর্কে ।
প্রথমে দেখে নিই রিয়েল হ্যাকিং এর প্রাথমিক কয়েকটা ধাপ ।
১. সুনির্দিষ্ট কিছূ তথ্য সংগ্রহ করা
২. পোর্ট স্ক্যান করা
৩. টার্গেটের অপারেটিং সিস্টেম এর সকল তথ্য বের করা
৪. সিস্টেমের খুত খুজে বের করা
৫. সিস্টেম এট্যাকের প্রস্তুতি
৬. সিস্টেমে এ্যাটাক করা
৭. সব শেষে আপনি যা কিছু করতে চান তা বাস্তবায়ন করা

তথ্য সংগ্রহ

প্রথমে আপনি যে ওয়েবসাইট বা সিস্টেম হ্যাক করতে চান তার আইপি খুজে বের করুন । এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ । এটার জন্য কমান্ড প্রোমট ওপেন করে টাইপ করুন :
ping yoururl.com
তারপর এন্টার দিন । দেখুন আপনার ওযেবসাইটের আইপি পেয়ে গেছেন । তারপর এই আইপি নিয়ে এর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করুন । ওয়েবসাইট সম্পর্কে সকল তথ্য ( যেমন : মালিকের ইমেইল , সাইটের সার্ভিস , কন্টাক্ট নম্বর ইত্যাদি ) সংগ্রহ করুন । এগুলো পরবর্তীতে অনেক কাজে আসতে পারে । তারপর এই ডোমেইন এর মালিকের ইমেইল , ডোমেইন কোম্পানী সহ যাবতীয় তথ্যের জন্য  এই এড্রেস এ গিয়ে আপনার টার্গেট ইউ আর এল লিখুন ও সার্চ করুন ।
তারপর আইপি এড্রেস এর লোকেশন জানার জন্য এই এড্রেস এ যেয়ে তার লোকেশনটা জেনে আসতে পারেন । যাই হোক , গুগলে সার্চ দিয়ে তার সম্পর্কে যত তথ্য দরকার সব বের করার চেষ্টা করুন ।

পোর্ট স্ক্যানিং

পোর্ট স্ক্যানিং টা হল অপারেটিং সিস্টেম বা ওযেবসাইটের ঢোকার রাস্তা খুজে বের কার । ধরুন আপনি একটা চুরি করবেন একটা বাড়িতে , তাহলে নিশ্চই আপনাকে ওই বাড়িতে ঢুকে তার কোন দরজা খোলা আছে বা কোন দিক থেকে ঢুকলে সুবিধা হয় তা জানতে হবে । একাজটা হল এরকমই । এটার মাধ্যমে মূলত আপনি যেখানে এটাক করবেন , তার কোন পথ সহজ বা দূর্বল তা বের করার জন্য । এটার জন্য আপনি কোন দামী পোর্ট স্ক্যানার ব্যাবহার করতে পারেন বা কোন ফ্রী সফটওয়্যারও ইউজ করতে পারেন । এটার কাজ হল , কোন সিস্টেমের কোন পোর্ট খোলা বা বন্ধ বা রানিং অবস্থায় আছে তা খুজে বের করা । এই কাজের জন্য আপনি NMAP or SUPERSCAN  সফটওয়্যার ইউজ করতে পারেন । আপনি NMAP দিয়ে পোর্ট স্ক্যান করার সময় যদি সেই পোর্ট থেকে UP রিপ্লাই দেয় , তাহলে বুঝবেন পোর্টটি রানিং অবস্থায় আছে । এই সফটওয়্যারটি গুগলে সার্চ দিয়ে ডাউনলোড করে নিন । তারপর কাজ শুরু করুন ।এর ব্যাবহারের উপর গুগলে সার্চ দিলেই অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন ।
নিজের পিসির পোর্ট খুজে বের করতে কমান্ড প্রমোট এ গিয়ে লিখুন :
Netstat –no
তারপর এন্টার দিন । দেখবেন আপনার পিসির পোর্ট গুলো সো করছে ।  NMAP ডাউনলোডের  জন্য এখানে যান ।

অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত তথ্য

হ্যাকিং এর জন্য আপনাকে অবশ্যই ভিকটিমের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত তথ্য জানতে হবে । যেমন , ভিকটিম কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করে । উইন্ডোজ না লিনাক্স নাকি ইউনিক্স না ম্যাক ? তারপর আপনাকে অপারেটিং সিস্টেমের ভার্সন বের করতে হবে । যেমন উইন্ডোজ ইউজ করলে ভার্সন কত , মানে উইন্ডোজ ৭ , না ৮ নাকি এক্সপি ? এ্যাকুরেট এট্যাক চালাতে হলে আপনাকে এগুলো সম্পর্কে অবশ্যই জানকে হবে । না জানলে আপনি সঠিকভাবে রিমোট সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারবেন না । এই কাজের জন্য যেসব টুলস প্রচলিত আছে সেগুলো হল :  NMAP , Netscantool pro প্রর্ভতি । গুগলে সার্চ দিয়ে এগুলো সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন । খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আশা করি ।

সিস্টেমের খুত খুজে বের করা

এটা হল , একটা সিস্টেমের কোথায় কোন খুত বা দূর্বলতা আছে সেটাকে খুজে বের করা । প্রায় সব সিস্টেমেই কোন না তোন স্থানে সমস্যা থাকে । এটা হতে পারে প্রোগ্রামিং এর সমস্যা , কোন সফটওয়্যার এর সমস্যা ইত্যাদি । এখন এই পর্যায়ে আমাদের কাজ হবে সিস্টেমের সেই সমস্যাগুলো খোজা ।সিস্টেমের কোন পোর্ট খোলা আছে বা রানিং আছে সেটা দেখা ও ওই পোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা ।  এর জন্য আপনারা অনেক টুলস ব্যাবহার করতে পারেন । তবে Nessas , Nikto , Core Impact  এই টুল গুলো এই কাজের জন্য বেশ ভাল টুলস । এগুলো কীভাবে ইউজ করতে হয় তা গুগলে বিভিন্ন সাইট থেকে দেখে নিতে পারেন ।

সিস্টেম এট্যাকের ফাইনাল প্রস্তুতি ও এটাক

এ পর্যায়ে মূলত আপনাদের কোন সিস্টেম বা ওয়েবসাইট এট্যাকের ফাইনাল প্রস্তুতি নিতে হবে । এর জন্য মূলত আপনাদের সিস্টেমের দূর্বলতা অনুসন্ধান করে যে পো্র্টের দূর্বলতা রয়েছে সেই পোর্টের Apache টা বের করতে হবে । এটা বের করার জন্য কমান্ড প্রমোটএ টাইপ ককরুন :
telnet your target ip or url port
বা , একটা উদাহরণ :
telnet 10.127.25.32 80
(ধরে নিলাম আপনার টার্গেট আইপি হল ৮০ , এখানে আপনারা যে পোর্টে দূর্বলতা পাবেন সেটাই লিখবেন ।)
এটা লিখে এন্টার চাপুন । দেখবেন , ২য় লাইনে আপনার কাঙ্খিত বস্তুটি আপনি পেয়ে গিয়েছেন  । এবার আপনার Apache ও পোর্টের জন্য এক্সপ্লোইট কোড ডাউনলোড করতে হবে । এই কোডটা হল , কোন সিস্টেমের নির্দিষ্ট দূর্বলতা অনুযায়ী এট্যাক চালানোর জন্য কিছু সোর্স কোড বা কমান্ড । এটা ডাউনলোড করার জন্য গুগলে সার্চ দিন ও ডাউনলোড করে এটা কম্পাইল করে ফেলুন । ব্যাস , সব কাজ শেষ । এবার এট্যাক চালান এই কোড ব্যাবহার করে । এটাকের বিষয়টা বিস্তারিত বলা সম্ভব হচ্ছে না । পরবর্তীতে কোন পোষ্টে বলার চেষ্টা করব । আর আপনারা গুগলে সার্চ দিয়ে এক্সপোলাইট কোড দিয়ে কীভাবে এটাক করতে হয় তা জেনে নিতে পারেন । ইউ টিউবের ভিডিও ও দেখতে পারেন ।
এক্সপ্লোইট কোড সার্চ করার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।

রিমোট সিস্টেমে কোন টুল ইন্সটল করা ও সিস্টেমের ফুল এক্সেস নেওয়া

এবার ধরে নিলাম আপনি সফল ভাবে এটাক করে রিমোট সিস্টেমের নিয়ন্ত্রন পেয়েছেন । এরপর কী ???? আপনি আপনার ইচ্ছা মত অনেক কিছুই করতে পারেন । ইউজারের ব্রাউজিং কুকি চুরি করতে পারেন । পাসওয়ার্ডগুলো নিতে পারেন । পিসিতে একটা কীলগার বা ট্রোজান ইন্সটল করে দিতে পারেন পরবর্তী এক্সেসের জন্য । বা সেই পিসির সকল লগ ফাইল ডিলিট করতে পারেন বা কোন ফাইল কপি করে নিতে পারেন । যা আপনার ইচ্ছা হয় , তাই করতে পারেন ।

বাংলাদেশকে সরাসরি না বলেছে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপল।

Paypalবাংলাদেশকে সরাসরি না বলেছে আন্তর্জাতিক অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপল। প্রতিষ্ঠানটি সাফ জানিয়ে দিয়েছে আপাতত তারা বাংলাদেশে অপারেশন শুরু করতে পারছে না। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দূর্বলতার অভিযোগ এনে বাংলাদেশে না আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পেপল। ফলে প্রায় ৫০ হাজার ফ্রি ল্যান্সার যারা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করেন তাদের আর্থিক লেনদেনের জটিলতার বিষয়টি অমীমাংসিত রয়ে গেল তবে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টরা এখনো আশা করছেন, আপাতত বিমুখ হলেও পেপল ইনকরপোরেট ২০১৫ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে তাদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, এটা ঠিক পেপল আপাতত বাংলাদেশে আসছে না। তবে কোনো দুর্বলতার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের সব নীতি তাদের মানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি আমাদের জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার জন্য আলাদা সফটওয়্যার করে তারপর আমাদের দেশে আসবে। এমন কথা জানিয়ে পেপলের প্রধান নির্বাহী আমাদের চিঠি দিয়েছে। তবে আমরা চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব পেপলকে দেশে নিয়ে আসতে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার ও ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি শামীম আহসান বাংলানিউজকে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বেসিস এতটা নীতি সহায়তা দেওয়ার পরও পেপল আপাতত না আসার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের জন্য দুঃখজনক। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে পেপলকে দ্রুত নিয়ে আসতে। শামীম আহসান বলেন, আমাদের দেশের ফ্রি ল্যান্সাররা গত বছর ৪ কোটি ডলার রাজস্ব আয় করেছে। এ ছাড়াও সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলো আয় করেছে আরো ১০ কোটি ডলার। এর বাইরেও আরো ৮ কোটি ডলার দেশে এসেছে বলে ধারণা করা যাচ্চে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে এ আয় ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছবে। স্বল্প খরচে এবং স্বীকৃতভাবে আয়ের অর্থ দেশে আনতে পেপলকে বাংলাদেশে আনতে হবে। সূত্র জানিয়েছে, গত প্রায় দু বছর ধরে আশা করা হচ্ছিল, পেপল বাংলাদেশে আসছে। ফলে অনলাইন ফ্রি ল্যান্সার ও ওয়েব উদ্যোক্তাদের বৈদেশিক মুদ্রার আয় দেশে আনা সহজ হয়ে যাবে। এ মুহূর্তে দেশে ৫০ হাজার ফ্রি ল্যান্সার কাজ করছে। আগামী বছর এ সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র বলছে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পেপল বাংলাদেশকে জানিয়ে দিয়েছে তারা আপাতত বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে পারছে না। বাংলাদেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতাকে এ জন্য কারণ হিসেবে দেখিয়েছে ১৯৯৩ সালে ইউরোপে কার্যক্রম শুরু করা এ আর্থিক সংস্থাটি। গত দু বছর ধরে সংস্থাটিকে দেশে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংকে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আতিউর রহমান বিভিন্ন সময় নানা অনুষ্ঠানে বলেছেন, চলতি বছরেই পেপল বাংলাদেশে আসছে। সূত্র বলছে, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পেপলের আন্তর্জাতিক সদর দপ্তর থেকে একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করে যান। তারা ওই সময় বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে বৈঠকও করেন। সে সময় আইনগত নানা দিক পর্যালোচনা করে যায়। বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্টের ঝুঁকি পর্যালোচনা করে একটি মতামত দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ায়। মূলত ওই প্রতিনিধি দলের মতামতের ভিত্তিতে পেপল সদর দপ্তর সিদ্ধান্ত নিয়েছে না আসার। এ মুহূর্তে বিশ্বের ১৯৩টি দেশে পেপল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বিশ্বের প্রায় ১৩ কোটি ৭০ লাখ মানুষ এ সেবার সুবিধা উপভোগ করছেন। ২৬টি মুদ্রায় এ প্রতিষ্ঠানটি লেনদেন পরিচালনা করে। এ মুহূর্তে দেশের ৫০ হাজার ফ্রি ল্যান্সার মাসে গড়ে প্রায় ৪০০ ডলার অবধি আয় করতে পারেন। কিন্তু বর্তমানে তারা বছরে গড়ে মাত্র ১৫ ডলার আয় করছে। কেউ কেউ মাসে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ডলার আয় করতে পারে। কিন্তু বৈধভাবে ৫০০ ডলারের বেশি দেশে আনার সুযোগ নেই। পেপল দেশে কার্যক্রম শুরু করলে এ আর্থিক লেনদেন জটিলতা আর থাকত না। প্রসঙ্গত, এ বছরেই পেপল ২ হাজার কোটি ডলারের লেনদেন করবে বলে ধারণা করছে। বর্তমান পেপল ইবে ইনকরপোরেটের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইবে পেপলের মালিকানা কিনে নেয়। অচিরেই বাংলাদেশ পেপলের কার্যক্রম শুরু করার প্রায় সব ধরনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে। এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রানীতি ছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধানেও সংস্কার আনা হয়। কিন্তু তারপরও সংস্থাটি শেষ অবধি সফটওয়্যার সীমাবদ্ধতার কথা বলে আপাতত মুখ ফিরিয়ে নিল। এমন তথ্যই দিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।

উজ্জ্বল ক্যারিয়ার হিসাবে কেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)?

আসসালামুয়ালাইকুম, সবাই কেমন আছেন? অনেক দিন পর আবার বাংলায় ব্লগিং শুরু করলাম। অনেকদিন থেকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নিয়ে কাজ করছি। কিন্তু এখন ও শুনে থাকি কিভাবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) তে ক্যারিয়ার গড়া যায়। কেন আমি এসইও শিখবো বা আগামীতে এসইও এর কর্মক্ষেত্র কেমন হবে ইত্যাদি। আর তাই আজ এসব বিষয় নিয়ে একটু লেখতে বসলাম।

আপনি জানেন কি?

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি? অনেকেই জানেন , তবুও যারা জানেন না তাদেরকে সংক্ষেপে বলছি। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও এর অর্থ হল একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের ( সেটা হতে পারে গুগল, বিং, অন্যান) জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা। এখন প্রশ্ন হল কেন আপনি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য উপযোগী করবেন? বলছি। এই জন্যেই করবেন যে আপনি সেখান থেকে আপনার টার্গেটকৃত ভিজিটর নিয়ে আসা। আমি জানি আপনি নিজেও প্রতিদিন অনেক সার্চ করে গুগলে, জানতে চান অজানা সব তথ্য। শুধু আপনি নয় এমন করে পৃথিবীতে প্রতিদিন কয়েকশ কোটি বার সার্চ করে শত কোটি মানুষ। তাই বুঝতেই পারছেন একটি সার্চ ইঞ্জিন কতটা গুরুত্বপূর্ণ।  আর আপনি যদি সেই শত কোটি গ্রাহকের মধ্যে ০.০০১ শতাংশ মানুষকেও আপনার সাইট এ নিয়ে আসতে পারেন তাহলে একবার ভেবে দেখুন আপনি কত ভিজিটর পাবেন। তবে প্রশ্ন হলো আপনি কিভাবে ভিজিটর গুলোকে নিয়ে আসবেন সার্চ ইঞ্জিন থেকে, কারন সার্চ ইঞ্জিনে তো আপনার কোন ওয়েবসাইট আসে না সার্চ করলে। ঠিক ধরেছেন !! আর এই কারনেই আপনার প্রয়োজন হবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা (এসইও) জানা। যা জানলে আপনি আপনার টার্গেট ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন।
এইতো গেলে এসইও নিয়ে বয়ান। এখন আসুন দেখা যাক এসইও নিয়ে কোন কোন বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায়।

করতে পারেন ফ্রিল্যান্সিং

দিনে দিনে বেড়েই চলছে আমাদের ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট। এখন বাংলাদেশ পৃথিবীর প্রথম সারির ৫ টি দেশের একটি দেশ এই ফ্রিল্যান্সিং এ । যেখানে রয়েছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর অনেক অনেক কাজ। আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এ দক্ষ হন তাহলে আপনি হতে পারেন একজন সফল ফ্রিল্যান্সার। এখন বাংলাদেশের অনেক তরুণের স্বপ্নের ক্যারিয়ার হলো এই ফ্রিল্যান্সিং। যেখান থেকে দক্ষরা হাজার হাজার ডলার আয় করে নিজের জীবন পাল্টে ফেলেছে।  আর সেই মার্কেটে এসইও একটি অনেক বড় অংশ। কেবল আপনি যদি একজন দক্ষ এসইও এক্সপার্ট হতে পারেন তাহলে আপনি ও প্রতিমাসে আয় করতে পারবেন ভালো অংকের টাকা। ফ্রিল্যান্সার মার্কেটপ্লেস এর মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে ওডেক্স, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স, ফাইভার, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি।

স্মার্ট জবের জন্য এসইও


আপনি জানেন কি আন্তর্জাতিক বাজারে একজন এসইও স্পেশালিষ্ট এর প্রতিমাসে সেলারি কত? মাসে মাত্র ২ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আর একজন সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটের বা এসইও কনসাল্টেন্ট এর আয় এর দেড়গুণ !! ৫-৬ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে আর বাহিরের দেশে যাবার সুযোগ থাকলে আপনি ও পেতে পারেন এমন একটি ক্যারিয়ার। তবে বাংলাদেশ এ এখন ও এমন অবস্থা আসেনি। কারণ বাংলাদেশের লোকাল মার্কেট এখনো অত অনলাইন ভিত্তিক হতে পারে নি। তাই সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে এইধরনের কর্মক্ষেত্র কম। তবে আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশেও এর ব্যাপক চাহিদা হবে একজন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারের।
তবে আপনি কিন্তু এখন একজন ভার্চুয়াল ওয়েবমাস্টার বা এসইও কনসালটেন্ট হিসাবে বিদেশী কোম্পানিতে জব করতে পারেন তাও আবার নিজের ঘরে বসেই ! যা থেকে আপনি ও আয় করতে পারেন মাস শেষে একটি বড় অংশ।

এসইও টু ব্লগিং, অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং, এড মার্কেটিং

শুধুমাত্র ব্লগিং করে বা অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং করে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে  ৫০,০০০-৫,০০,০০০ টাকা আয় করেন এমন অনেকেই আছেন। যারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে আয় করে থাকেন। অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং বলেন বা গুগল এডসেন্স বলেন আপনি যদি এসইওতে পারদর্শী হন তাহলে আপনার জন্য থাকবে একটি অপার সম্ভাবনা নিজের ক্যারিয়ারকে একটি উচুস্থানে নিয়ে যাওয়ার। তাই আপনি যদি এই অ্যাফিলিয়েশন মার্কেটিং, এড মার্কেটিং বা ব্লগিং এ ক্যারিয়ার গড়তে চান তাহলে এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন) এর কোন বিকল্প নেই।

অনলাইন মার্কেটিং এ এসইও

অনলাইন মার্কেটিং এখন একটি অনেক বড়ক্ষেত্র । কারণ পৃথিবী খুব দ্রুতই অনলাইন ভিত্তিক হয়ে পড়ছে। সবাই এখন ধীরে ধীরে অনলাইনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরছে। কেনা কাটা থেকে শুরু করে অলাইনে লেখাপড়া সবই করা হচ্ছে। তাই অনলাইনের বাজারে কম্পিটিশন ও বেড়ে চলেছে। সবাই উঠেপড়ে লেগেছে তাদের টার্গেটেড ভিজিটর বা কাস্টমারদেরকে নিয়ে আসার জন্য। আর এই কারনে দিন দিন বেড়ে চলেছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের প্রয়োজনীয়তা। নির্দিষ্ট কী ওয়ার্ড এর উপর ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য যে এসইও এর কোন বিকল্প নেই ! তাই অনলাইন মার্কেটিং এর সব বড় এবং প্রধান হাতিয়ার হিসাবে আপনি বেছে নিতে পারেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কে। অনলাইন মার্কেটিং এ অন্যের হয়ে কাজ করে বা নিজের পন্যের জন্য কাজ করে আপনি আপনার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ খুব সুন্দর ভাবে গড়ে তুলতে পারেন। যেমন আপনি –
১. অন্যের পণ্য বিক্রয় করার মাধ্যমে সেখান থেকে আয় করতে পারেন
২. নিজের পণ্যের বা সেবার মার্কেটিং করে নিজে একজন উদ্যোগতা হতে পারেন
৩. কোন প্রচার ও প্রোমোশন করে তাদের সাথে চুক্তি বদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারেন।

উদ্যোগতা হিসাবে এসইও

ধরুন আপনি ছোট একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন। যেখানে আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইন বা গ্রাফিক্স ডিজাইনের সার্ভিস গুলো দিয়ে থাকেন। কিন্তু আপনি জানেন না কিভাবে আপনি আপনার টার্গেটকৃত কাস্টমারদের নিয়ে আসবেন আপনার ব্যবসায়। কিন্তু আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানেন তাহলে সেই কাজ আপনি দ্রুতই করতে পারেন। যার ফলে আপনি আপনার ব্যাবসার উন্নতি আরো কয়েকগুন বাড়িয়ে নিতে পারবেন। এক সময় আপনার সেই ছোট কোম্পানি ই হয়ে যেতে পারে বড় কোন সার্ভিস প্রোভাইডার। তাই আপনি চাইলেই অনলাইন বা অফলাইন ২ দিকেই এসইও করার মাধ্যমে আপনি একজন সফল উদ্যোগতা হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারেন।
তো বুঝতেই পারছে সার্চ ইঞ্জিনের ব্যাপকতা কেন এতো বেশি। এক কোথায় যদি বলতে হয় তাহলে “ এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হলো অনলাইন মার্কেটিং বা ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র” । যা শিখে আপনি আপনার ইচ্ছা মত নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করে নিতে পারেন।

বাড়িয়ে নিন আপনার Windows এর 100% Net Speed এবং Windows কে দেখিয়ে দিন বুড়ো আঙ্গুল আর উপভোগ করুন Full Speed এ Download এবং Browse

আছেন সবাই। ব্যাবসার কারনে টিউন করার সময় বের করতে পারছি না। তারপরও যতটুকু সময় পাই টিউন করার চেষ্টা করি। আজকের টিউনে আমি আলোচনা করব কি ভাবে windows থেকে ১০০% নেট Speed পাওয়া যায়।


Rocket
windows বিভিন্ন ভাবে bandwidth কেটে রেখে আমাদের নেট Speed কমিয়ে দেয়। এখন কি ভাবে  Windows কে  বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে Full Speed এ Download এবং Browse করার যায়?

এর জন্য কিছু পদ্ধতি রয়েছে। পদ্ধতি গুলো আমি ধাপে ধাপে তুলে ধরব। আমি নিজে এ পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করে আমার windows থেকে ১০০% নেট Speed পাচ্ছি। তাই আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।

এ পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে আপনার নেট Speed দেখেনিন। পদ্ধতি শেষ করার পর আপানার পিসি টি Restart দিন এবং নেট Speed চেক করে দেখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন আপনার নেট Speed বেরছে কিনা?

পদ্ধতি ১ Drain out DNS Cache

এ পদ্ধতি টি খুবই সহজ।নিচে তুলে ধরলাম।
  • প্রথমে আপনি CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।(Cmd লিখে windows যে drive এ আছে সেখানে Search দিন।তাহলে cmd পাবেন)
  • এখন টাইপ করুন IPCONFIG /FLUSHDNS এবং ইন্টার চাপুন।
  • নিচের ছবির মত হলে Close করে দিন।

পদ্ধতি ২ Disable Unnecessary Services

এ পদ্ধতি টি একটু ভাল ভাবে বুঝে করবেন।কিছু service আছে যে গুল আপনার নেট Speed কমিয়ে দেয়।
তাই সে গুল কে নিয়ন্তন করার পদ্ধতি নিচে দিয়ে দিলাম।
  • Run গিয়ে services.msc লিখে Enter চাপুন।
  • নিচের ছবির মত আসবে

  • এখন নিচের service গুলতে right click করে properties এ click করুন।
এখন নিচের ছবির মত automatic থেকে Manual করে ok দিয়ে বের হয়ে যান।

service গুলোর নাম।সব গুল service কে উপরের নিয়মে করতে হবে।
Diagnostic Policy Service, Distributed Link Tracking Client, Offline Files, Performance Logs & Alerts, Program Compatibility Assistant Service, Secondary Logon, Windows Error Reporting Service, Windows Image Acquisition (WIA)

পদ্ধতি ৩ Reset WinSock

WinSock  রিসেট দিলে আপনার ইন্টারনেট এর গতি  বেরে যায়। তাই মঝে মাঝে WinSock  রিসেট দিবেন। কি ভাবে WinSock  রিসেট দেবেন নিচে তুলে ধরলাম।
  • CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।
  • এখন NETSH INT IP RESET C:\RESETLOG.txt লিখে ইন্টার চাপুন
  • নিচের ছবির মত আসলে Cmd Close করুন।ব্যাস এটুকুই।

পদ্ধতি ৪ Update Network Card Driver

এ পদ্ধতিতে আপনার  Network Card Driver সফট টি Update করে নিতে হবে। আমাদের motherboard সিডি তে নতুন Network Card Driver থাকে না। তাই এটিও নেট speed কম হওয়ার কারন।
কিভাবে নতুন Network Card Driver সফট টি আপডেট করব তা নিচে দিলাম।
  • device manager ওপেন করুন।
  • Network adapters এ ভিতরে ঢুকুন।
  • আপনার Network Card Driver right click করে Update Driver Software click করুন।
  • নিচের ছবির মত আসলে Search automatically for updated driver software এ click করে
আপনার Network Card Driver সফট টি আপডেট করে নিন।

পদ্ধতি ৫ Disable Bandwidth Reserves

এ পদ্ধতিটি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ পদ্ধতি টি হয়ত অনেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য কঠিন।

পদ্ধতি 1

  • Run গিয়ে gpedit.msc টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে

  • এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান  Local Computer Policy\Computer Configuration\Administrative Templates\Network\QoS Packet Scheduler
  • এবার Limit reservable bandwidth  এ  right click করে Edit এ click করুন।
  • নিচের ছবির মত আসলে enabled এ click করুন এবং  Bandwidth limit to”0 লিখে ok দিয়ে বের হয়ে যান।

পদ্ধতি 2

  • Run গিয়ে regedit.exe টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে

  • এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\Windows
  • এবার Pshed click করুন।দেখবেন ডান পাশে এই লিখাটি আছে NonBestEffortLimit।
  • NonBestEffortLimit right click করে Modify এ ঢুকুন।

  • এখন Decimal এ click করুন এবং  Value data 1 থেকে 100 দিন।তারপর ok দিন।

সব গুল ধাপ শেষ করে আপনার  computer টি Restart দিন। এখন উপভোগ করুন আপনার windows এ ১০০% Bandwidth। দেখবেন আপনার নেট অনেক খানি ফাস্ট হয়েছে। সব গুল পদ্ধতি আপনি ভাল ভাবে শেষ করতে পারলে windows এ ১০০% Bandwidth পারবেন।

ওডেস্ক মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন যেভাবে

বিশ্বের অন্যতম সেরা ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ওডেস্ক ডট কম (oDesk.com)। এখানে যে কেউ বিনামূল্যে রেজিস্ট্রেশন করে কাজ করতে পারেন। তবে কোনো কাজ করে যে টাকা পাবেন তার ১০ ভাগ টাকা ওডেস্ক চার্জ হিসেবে কেটে রেখে দেবে। যেমন- যদি ১০০ ডলারের কাজ করেন তাহলে আপনি পাবেন ৯০ ডলার।
ওডেস্কে কাজ করার আগে যা যা করবেন- প্রথমেই রেজিস্ট্রেশন করে একটি পোর্টফোলিও তৈরি করবেন। প্রোফাইল অংশে আপনার সব তথ্য সঠিকভাবে দিন। রেডিনেস টেস্ট দিয়ে পাস করুন। এতে করে আপনার প্রোফাইল ১০০ ভাগ হবে। যা কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার কাজে লাগবে।
প্রোফাইল ১০০ ভাগ পরিপূর্ণ হলে আপনি ২/১ টা স্কিলড টেস্ট দেবেন। যেমন আপনি যদি ওয়েব ডিজাইনের কাজ করতে চান তাহলে এইচটিএমএল, সিএসএস, এডোবি ফটোশপ ইত্যাদি টেস্ট দেবেন। ওডেস্কে প্রায় ৫০০ রিলেটেড স্কিলড টেস্ট রয়েছে। স্কিলড টেস্ট দিলে কাজ পাবার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়।
স্কিলড টেস্ট দেয়া হলে এবং যদি প্রোফাইল ১০০ ভাগ পূর্ণ হয় তাহলে আপনি কাজের জন্য বিড করা শুরু করতে পারেন। বিড মানে হলো যে জবগুলো পোস্ট হবে সেগুলো পড়ে যদি মনে হয় আপনি পারবেন তাহলে সেটাতে আবেদন করা।
বিড করার সময় আবেদনে যা লিখবেন সেটাকে বলা হয় কভার লেটার। সাধারণত কভার লেটারের লেখা দিয়েই বায়ারকে অর্থাৎ যে আপনাকে কাজ দেবে তাকে মুগ্ধ করতে হয়। কারণ কভার লেটার ভালো হলেই সে আপনার প্রোফাইল দেখবে। সুতরাং কভার লেটার সুন্দর করে লিখতে হয়।
এক্ষেত্রে কার্যকরী টিপস হলো, কভার লেটারটা হবে এরকম- আপনি বায়ারের জব ডেসক্রিপশন ভালোভাবে পড়েছেন। এবং পড়ে মনে হয়েছে আপনি-ই এই কাজের জন্য উপযোগী। অতীতে এ ধরণের কাজ করেছেন। সুতরাং আপনি খুব সহজেই এটা করতে পারবেন।
এসবই সংক্ষেপে পয়েন্ট পয়েন্ট করে লিখবেন। দেখবেন আপনাকে ইন্টারভিউতে ডেকেছে। এবং কাজও পেয়ে গেছেন। অনেকে ইন্টারভিউ শুনলেই ভয় পেয়ে যান।
ইন্টারভিউতে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। ইন্টারভিউর অর্থ হলো- বায়ার আপনার কাছে জানতে চাইবে আপনি এই কাজ আগেও করেছেন কিনা? কখন শুরু করতে পারবেন? কত সময় লাগবে ইত্যাদি। স্মার্টভাবে প্রশ্নগুলোর জবাব দেবেন। অতিরিক্ত কোনো কথা বলবেন না। বায়ারকে ’স্যার’ না বলাই শ্রেয়। মি. এক্স/ওয়াই বলুন। এতে বায়ার খুশি হয়।
লক্ষ্যণীয়, আপনি যে কাজ জানেন সেই কাজ করতে যাওয়াই ভালো। কাজ না জেনে অযথা কোনো কাজে বিড করতে যাবেন না। কারন এতে করে আপনি যদি কাজটি পেয়ে যান তাহলে কাজটি শেষ করতে না পারার কারণে আপনি টাকা এবং ফিডব্যাক কোনোটাই পাবেন না। আর যদি ফিডব্যাক পানও সেটা হবে নেগেটিভ। যাতে করে আপনার ভবিষ্যতে কাজ না পাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো- এতে করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়।

নারীকে আকর্ষন করার ১০টি টিপস্।


সব পুরুষই চায় মেয়েরা তার
প্রতি আকর্ষিত হোক । তবে সবাই
আকর্ষণ
করতে পারে না । এইদশটি বিষয়ের
প্রতি মনোযোগী হলে সহজেই
নারীরা কারও প্রতি আকর্ষণ অনুভব
করবে ।
১. চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন

আলাপের সময় তার দেহের
দিকে তাকাবেন না । এতে আপনার
প্রতি তার বিরূপ ধারণা তৈরি হবে ।
২. পরিপাটি থাকুন । নারীরা সব সময়
তার সঙ্গীর পরিপাটি ও সুগন্ধময়
পরিধেয় ভালবাসেন ।
৩. তাকে সহায়তা করুন ।
মেয়েরা সবসময় সহযোগীদের
প্রতি আকৃষ্ট হয় । যেমন কোট
পরিধানে হাত বাড়িয়ে দিন ।
নারীর
সেবায় উদার হোন ।
৪. তার বন্ধুদের প্রতি সামাজিক
হোন । তাদের নিজের মতো আপন
করে নিন । মেয়েরা সামাজিক ও
মিশুকদের প্রতি আকৃষ্ট হয় ।
৫. একসঙ্গে থাকাবস্থায় ফোন
পরিহার করার চেষ্টা করুন ।
ফোনে কথা বলার সময়
বোঝাতে চেষ্টা করুন আপনি তার
প্রতি মনোযোগী । তার প্রতি আপনার
পূর্ণ আকর্ষণ রয়েছে ।
৬. তাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করুন বিশেষত
তার সম্পর্কে । মেয়েরা সব সময় তার
ব্যাপারে আলোচনা পছন্দ করে । যেমন
তার ভাল লাগা, প্রিয় জিনিস
ইত্যাদি ।
৭. কোথাও প্রবেশের সময়
আগে গিয়ে দরজা খুলে তাকে স্বাগতম
জানান । এ বিষয়টি নারীদের ভীষণ
প্রিয় । যেমন গাড়িতে উঠবার সময়
নিজে গিয়ে দরজা খুলে দিন
বা রেস্টুরেন্টে বসার সময়
চেয়ারটা টেনে দিন
৮. তার অ্যাপেয়ারেন্সের
প্রশংসা করুন । যেমন তোমাকে খুব সুন্দর
লাগছে । এ
পোশাকে তোমাকে ভাল
মানায় ইত্যাদি ।
৯. তার থেকে পরামর্শ নিন । যেমন
কোন কাজ শুরু করার আগে মতামত
চাওয়া ।
এতে সে ভাববে আপনি তাকে গুরুত্ব
দেন ।
১০. তার ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরুন

যেমন তোমাকে হাসিখুশি মনে হয় ।
তোমার সব কাজই ভাল হয় । তুমি অনেক
পজিটিভ ইত্যাদি ।
ღ এগুলোর
প্রতি মনোযোগী হলে মেয়েরা আপনার
প্রতি ইতিবাচক হবে আকর্ষণ অনুভব করবে 

শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

আপনার ওয়েবসাইট এর পোস্ট গুগল এ সাবমিট করুন নিজে নিজে !!!

আসসালামুয়ালাইকুম, কেমন আছেন ?
আজ একটা গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম। আপনি পোস্ট PUBLISH করার সাথে সাথে গুগল index করে না... তাই এই কাজ আপনি নিজেই করুন।
  • প্রথমে Webmaster tools Home page এ যান, তারপর আপনার ওয়েবসাইট সিলেক্ট করুন, তারপর বাম পাশ থেকে >CRAWL সিলেক্ট করে  FETCH AS GOOGLE এ ক্লিক করুন।
  • তারপর ওইখানে আপনার পোস্ট এর লিঙ্ক পেস্ট করে Fetch এ ক্লিক করুন।
  • তারপর Submit to Index. এ ক্লিক করুন।
Tricks to submit Blog Post Google Instantly 2
  • তারপর  crawl only this URL  সিলেক্ট করুন।
submit blog to goole
  • কাজ শেষ :D
আজ এইখানেই শেষ...।

আপনার টুইটার একাউন্ট থেকে টুইটস গুলোর ব্যাকআপ নিতে পারেন।

কবে, কখন, কিভাবে কিছু ঘটেযায় তা আগে থেকে কখনোই বলা যায় নাহ। তবে আগে থেকে কিছুটা  সাবধান হয়ে থাকা অসম্ভব নয়। যেহেতু আগে থেকে সাবধান হয়ে থাকা যায়ই তবে কেন আমরা হবো নাহ? হতে পারে কোন টেকনিক্যাল সমস্যা , অথবা আপনার ভুলোমনে পাসওয়ার্ড,আইডি নেম ভুলে যাওয়া অথবা কোন হ্যাকার দ্বারা আপনার টুইটার আইডির ভালো-মন্দ কিছু একটা হয়ে গেলো তাহলে?
তাই ছোট্ট সহজ একটা ট্রিক্স যেনে রাখলে যেমন ক্ষতি নেই তেমনি ভবিষ্যতে কাজে লাগলেও লাগতে পারে :)
logo

ব্যাকআপ নিনঃ 
আমরা এই কাজটি সম্পূর্ণ করবো  twDocs দ্বারা। এবার http://twdocs.com/ যান।
twdocs-homepage

সাইটের হোমেপেজেই লিস্ট পাবেন সব কিছুর। আপনার যা প্রয়োজন তাতে সিলেক্ট করে দেইলেই হবে। আপনার শেষ টুইট, আপনার প্রিয় টুইট সবি আপনি ব্যাকআপ নিতে পারবেন।
আর হ্যাঁ নিচে লক্ষ্য করুন। দেখুন দেখাচ্ছে আপনার টুইটস গুলো আপনি কিভাবে ব্যাকআপ নিতে চাচ্ছেন? PDF,DOC,HTML নাকি অন্যভাবে? আপনার পছন্দনুযায়ী সিলেক্ট করে দিন। আমি PDF দিয়েছি ;)
twdocs-export-latest-tweets

এখানে আমি লাস্ট ২০০ টুইটস ব্যাকআপ নিয়েছি। আপনি ১ টিও নিতে পারেন। এবার নিচথেকে GO সিলেক্ট করে দিন।
twdocs-authorize

আপনাকে লগিন অপশন দিয়ে টুইটারে লগিন করতে বলা হবে। লগিন করার পর Authorize app এর মাঝে ক্লিক করুন।
twdocs-download

কিছু সময় প্রসেসের পর মূলত সার্ভার থেকেই ডাউনলোড শুরু হয়ে যায়। যদি না হয়ে থাকে তবে “Click here” লিঙ্কে ক্লিক করুন ম্যানুয়ালি ডাউনলোড করার জন্য। এতে করে আপনার ডাউনলোড সফটওয়্যার (IDM) তা ক্যাচ করে ডাউনলোড করবে।
PDF Tweets

Pdf আকারে ব্যাকআপ করা আমার টুইটস :D । আমার টুইটস গুলো বাংলায়। তাই এরকম দেখাচ্ছে।
ভালো থাকুন, ভালো থাকার চেষ্টা করুন, সাথেই থাকুন।

 

পাঠকের মন্তব্য

আমার সম্পর্কে

মোঃ রাকিব সরকার
মধুপুর,টাঙ্গাইল।
01686709248